Home
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের আগে পরিবেশবান্ধব প্রচারের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন
Others

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের আগে পরিবেশবান্ধব প্রচারের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন

আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিবেশবান্ধব প্রচার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে ইমেল মারফত স্মারকলিপি জমা দিল বাস্…

Discussion 2 comments

Replying to
anonymous
anonymous 19/03/2026 16:06
প্রচারের সময় মাইকের বিকট আওয়াজ করে সুস্থ মানুষকে অসুস্থ করা এবং অসুস্থ মানুষকে আরও অসুস্থ করা চলবে না।
তাপস
তাপস 20/03/2026 04:29
অত্যন্ত জরুরি পরিবেশ বান্ধব প্রচার
Others

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের আগে পরিবেশবান্ধব প্রচারের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন

আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিবেশবান্ধব প্রচার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে ইমেল মারফত স্মারকলিপি জমা দিল বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন। সংগঠনের পক্ষ থেকে যুগ্ম আহ্বায়ক সঞ্জয় দাস ও কল্লোল রায় এই আবেদনপত্র পেশ করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি অপরিহার্য অংশ হলেও, এর ফলে পরিবেশের উপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ফ্লেক্স, ব্যানার, পতাকা এবং অন্যান্য প্রচার সামগ্রীর ব্যাপক ব্যবহার নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য তৈরি করে, যা মাটি, জল ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে। সংগঠনের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় বহু ক্ষেত্রে রাস্তার ধারের গাছে পেরেক পুঁতে ব্যানার ও পতাকা লাগানো হয়, যা গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে গাছের ক্ষতি ঘটায়। শহর ও গ্রামাঞ্চলের সীমিত সবুজ পরিকাঠামো রক্ষার স্বার্থে এই ধরনের কার্যকলাপ অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেছেন।

স্মারকলিপিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে কয়েকটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

·       নির্বাচনী প্রচারে প্লাস্টিক ফ্লেক্স ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সামগ্রী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা;

·       পরিবেশবান্ধব উপকরণ যেমন কাপড় বা কাগজের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা;

·       গাছে পেরেক পুঁতে প্রচার সামগ্রী লাগানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা এবং লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা;

·       এছাড়াও, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সমস্ত প্রচার সামগ্রী দ্রুত অপসারণ এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায় রাজনৈতিক দলগুলির উপর বর্তানোর দাবি জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলির সমন্বয়ে একটি পরিবেশবান্ধব আচরণবিধি প্রণয়নের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গণতন্ত্র রক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পরিবেশবান্ধব প্রচারের মাধ্যমে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা জরুরি।” এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিবেশবিদদের একাংশ মনে করছেন, এই দাবিগুলি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিবেশগত প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

Discussion 2 comments

Replying to
anonymous
anonymous 19/03/2026 16:06
প্রচারের সময় মাইকের বিকট আওয়াজ করে সুস্থ মানুষকে অসুস্থ করা এবং অসুস্থ মানুষকে আরও অসুস্থ করা চলবে না।
তাপস
তাপস 20/03/2026 04:29
অত্যন্ত জরুরি পরিবেশ বান্ধব প্রচার
Our mission

We define ourselves as a “Mass Media of Resistance”

We seek to understand and analyze the Bahusaṅkaṭa (i.e., Polycrisis: a multidimensional crisis that doesn't have a straight forward solution) in which we all are immersed, along with the Bahuduḥkha (multiform suffering) of all sentient beings, through the lens of Madhyamāpratipada (the Middle Way in Buddhism which is our guiding force). And in collaboration with the broader Ecological Solidarity Movement and the Ecological Solidarity Alliance, we strive to bring the depth of these realities to the forefront of human consciousness.

Contact us

Email: thedegrowthofficial.com