স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতী জী
অন্যান্য

স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতী জী

এই নিবন্ধটি স্বামী নিগমানন্দ সরস্বতীজির জীবন ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে। তিনি গঙ্গা নদীর দূষণ ও অবৈধ খননের বিরুদ্ধে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছিলেন। তাঁর অনশন ও আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি পরিবেশ রক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নিবন্ধটি গঙ্গার অবিরল প্রবাহ ও দূষণমুক্ত রাখার আহ্বান জানায় এবং এই মহৎ উদ্দেশ্যে সকলকে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করে।

আলোচনা 0 comments

উত্তর দিচ্ছেন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

সবার আগে আলোচনায় যোগ দিন।

অন্যান্য

স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতী জী

জন্মিলে মরিতে হবে রে জানে তো সবাই

তবু মরণে মরণে অনেক

ফারাক আছে ভাই রে, সব মরণ নয় সমান।।

রক্তচোষার উস্কানিতে, জনতার দুশমনিতে,

সারা জনম গেলে কেটে মরণ যদি আসে

ওরে সেই মরণের ভার দেখে ভাই,

পাখীর পালক হাসে রে, সব মরণ নয় সমান।।

জীবন উৎসর্গ করে সবহারা জনতার তরে

মরণ যদি হয়,

ওরে তাহার ভারে হার মানে ঐ

পাহাড় হিমালয় রে, সব মরণ নয় সমান।

- প্রতুল মুখোপাধ্যায়

ChatGPT Image Jun 13, 2026, 07_13_29 AM

আজ স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতীজীর ১৫ তম শহীদ দিবস।   

বন্ধুরা, আসুন পরিচিত হই এক অসাধারণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে – স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতী জী।

১৯৯৮ সালের জানুয়ারী ও জুন মাসে গঙ্গাবক্ষে অবৈধ খনন বন্ধ করার জন্য ৭০ দিন ধরে অনশন করেন, পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মাতৃসদন আশ্রমের সন্ন্যাসীরা গঙ্গার অবিরলতার জন্য আওয়াজ তুলেছেন। ২০১১ সালের ১৯এ ফেব্রুয়ারী থেকে স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতী আবারো অবৈধ খননের বিরুদ্ধে অনশন শুরু করেন এবং শারীরিক অবস্থার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর অভিযোগ ওঠে যে সেখানে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগ করা হয়, ফলশ্রুতিতে ২০১১ সালের ১৩ই জুন, অনশনের ১১৫তম দিনে স্বামী নিগামানন্দ সরস্বতীর মৃত্যু হয়। সিবিআই তদন্ত হলেও তার রিপোর্ট এখনো জানা যায়নি। সাধারণ মানুষের কাছে এটি খুন ছাড়া আর কিছুই নয়। আসুন আমরা এনাদের স্মরণে রাখি আর চেষ্টা করি যে যেমন ভাবে পারি অল্প কিছু করার।

মাতৃসদন আশ্রম, অবিরল ও দূষণ মুক্ত গঙ্গা নদীর জন্য, পরিবেশ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও গঙ্গার প্রাকৃতিক রূপ বজায় রাখার জন্য, মানুষের তৈরী সভ্যতার বিপদ কমানোর জন্য, আমাদের সকলের জন্য তাঁদের ত্যাগ, তপস্যা, অনশন আন্দোলন বজায় রেখে চলেছেন। “গঙ্গাকে অবিরল বইতে দাও" আসুন আমরা সবাই দেশের সব জায়গায় এই স্লোগান ছড়িয়ে দেই।

কারণ ছোট-বড় শাখা নদী, উপনদী, খাল, জলাশয়, পুকুর, ডোবাগুলি না জীবিত থাকলে দেশের জীবন-রেখা, প্রাণ-প্রবাহিনী গঙ্গা নদীর জীবিত অস্তিত্বও বজায় থাকবে না। 

বন্ধুরা, আসুন, যোগ দিন, আওয়াজ তুলুন গঙ্গা নদীকে তাঁর প্রাকৃতিক রূপে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমাদের লক্ষ্য হওয়া দরকার মাতৃসদন আশ্রমের এই সংকল্প এবং অসাধারণ লড়াইয়ের কথা দেশের সর্বত্র সমস্ত মাধ্যমে সবরকম ভাবে প্রচারের চেষ্টা করা।

ChatGPT Image Jun 13, 2026, 07_17_54 AM

বন্ধুরা, অবিরল ও দূষণ মুক্ত গঙ্গা নদীর জন্য, মানুষের তৈরী সভ্যতার বিপদ কমানোর জন্য, দেশের সব জায়গায় “গঙ্গাকে অবিরল বইতে দাও" - এই স্লোগান ছড়িয়ে দিন।

বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন

পরিবেশ বান্ধব মঞ্চ বারাকপুর

আলোচনা 0 comments

উত্তর দিচ্ছেন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

সবার আগে আলোচনায় যোগ দিন।

আমাদের লক্ষ্য

আমরা নিজেদেরকে “প্রতিরোধের গণমাধ্যম” হিসেবে দেখি।

জীবের বহুসংকটকে, জীবের বহুদুঃখকে আমরা মধ্যমপ্রতিপদের অবস্থান থেকে বোঝার চেষ্টা করি, বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করি, এবং বৃহত্তর বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন ও বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি জোটের সাথে হাত মিলিয়ে তাকে মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি।

যোগাযোগ করুন

ইমেল: thedegrowthofficial.com