জলাভূমি ও মৎস্যজীবী বাঁচানোর ডাক
জলাভূমি ও মৎস্যজীবী বাঁচানোর ডাক: কলকাতায় ‘গণ কনভেনশন’ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের দাবী
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা | ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পূর্ব কলকাতা সহ সমগ্র রাজ্যের জলাভূমি ও মৎস্যজীবী সমবায় গুলি রক্ষা এবং এবিষয়ে সাম্প্রতিক রাজ্যে সরকারের অনৈতিক নির্দেশনামা বাতিলের দাবিতে ও মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকার অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে গতকাল ১৮ই ফেব্রুয়ারী বুধবার, সূর্য সেন স্ট্রীটে অবস্থিত কলকাতার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাগৃহে অনুষ্ঠিত হলো গণ কনভেনশন। ‘বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন’ ও ‘পরিবেশ বান্ধব মঞ্চ বারাকপুর’-এর আহ্বানে এই সম্মেলন আয়োজিত হয়। এই গণ কনভেনশনে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, নদীয়া, হাওড়া, মালদা, মুর্শিদাবাদ জেলার মৎসজীবী সমবায়, কৃষক, ক্ষেতমজুর সংগঠনগুলির নারী-পুরুষ সদস্য এবং পরিবেশ, নদী, বিজ্ঞান ও সামাজিক আন্দোলনের নেতৃত্বসহ বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিরা রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক গেজেট নোটিফিকেশন (সংখ্যা ৩৪১২, তারিখ ১২/০৭/২০২৫) বাতিলের দাবি জানান এবং জলাভূমি জবরদখলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিপন্ন জলাভূমি ও মৎস্যজীবীদের সংকট:
এতোদিন ধরে রাজ্যের জলাভূমি বা ভেড়িগুলি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছ থেকে লিজ নিতে পারতো মৎস্যজীবী সমবায়গুলি। কোন প্রকার ব্যক্তি উদ্যোগপতিদের এই লিজ নেওয়ার কোন বিষয় ছিল না। কিন্তু বর্তমান রাজ্য সরকার এই জলাভূমিগুলিকে ব্যক্তি মালিকানায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দরপত্রে জায়গা করে দেওয়ার চক্রান্তমূলক ষড়যন্ত্র রচিত করেছে সরকারি নির্দেশনামায়। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে একের পর এক জলাভূমি প্রোমোটার ও কর্পোরেট শক্তির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব কলকাতা জলাভূমি, উত্তরবঙ্গের চপরামারি লেক, শোভাবাড়ি দিঘি, জোড় দিঘি, গজলডোবা এবং মহানন্দা ক্যানাল সংলগ্ন জলাশয়গুলোর রেকর্ড পরিবর্তনের মাধ্যমে সেগুলিকে ধ্বংস করার চক্রান্ত চলছে, আদতে জলাভূমিগুলিকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জলাভূমিগুলি না থাকলে প্রকৃতি-পরিবেশ তথা মৎসজীবী, কৃষিজীবী মানুষদের জীবন-জীবিকা সহ বাস্তুতন্ত্রের উপর সংকট নেমে আসবে।
বক্তাদের মূল বক্তব্য ও দাবিদাওয়া:
গণ কনভেনশনের শুরুতে বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন ও পরিবেশ বান্ধব মঞ্চ বারাকপুর-এর পক্ষে কল্লোল রায় সভায় আগত সবাইকে ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব জানিয়ে স্বাগত জানান। প্রারম্ভিক কথায় পূর্ব কলকাতা জলাভূমি সহ সমগ্র রাজ্যের পুকুর-খাল-বিল-জলাশয়-জলাভূমি-নদীগুলি যে উন্নয়ন/বিকাশের নামে প্রমোটারদের কাছে বিক্রী করে দেওয়া হচ্ছে, এবং সরকার ও প্রশাসনের উদাসীনতার জন্য ও যথাযথ কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ না করায় দখল হয়ে যাচ্ছে তা উল্লেখ করেন। এরপর স্বাতী চ্যাটার্জ্জীর গান দিয়ে সভা শুরু হয়।
বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলনের পক্ষে সঞ্জয় দাস গণ কনভেনশনের প্রয়োজনীয়তা ও উদ্দেশ্য উপস্থিত সকলের কাছে বিশদ ভাবে তুলে ধরেন। উনি বলেন আমরা বহুসংকটের মধ্যে রয়েছি। জলাভূমি ভরাট করে শুধুমাত্র মুনাফার জন্য বহুতল নির্মাণ করাকে উন্নয়ন বলা যায় না; বরং বাস্তুতন্ত্র, মৎসজীবী, কৃষিজীবীসহ প্রান্তিক মানুষদের জীবন-জীবিকা রক্ষা করা সবথেকে জরুরী বিষয়। প্রাকৃতিক সম্বলগুলিকে তাদের প্রাকৃতিক অবস্থানে না রাখতে পারলে আমরা নিজেরা ও আগামী প্রজন্ম যে সুস্থভাবে বাঁচতে পারব না সেই কথা মনে করিয়ে দিয়ে সমস্ত গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলিকে বিষয়গত সহমতের ভিত্তিতে আলোচনা সাপেক্ষে যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
উত্তর ২৪ পরগণা জেলা সি. এফ. সি. এস. এর পক্ষে শ্রীনাথ মন্ডল, মৎসজীবীদের জীবন-জীবিকা বজায় রাখার জন্য নিজেদের শরীরের দিকে না তাকিয়ে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সব ঋতুতে ভোর রাতে উঠে মাছ ধরে ও সংগ্রহ করে বাজারে সরবরাহ করার কথা জানান। পাশাপাশি মনে করিয়ে দেন যে, কৃষিজীবীরা সরকারী ভাতা পেলেও মৎসজীবীরা কোন অনুদান পান না। শ্রীনাথ আক্ষেপ করে জানান, ১৯৬০ সাল বা তার আগে থেকে মৎস্যজীবীরা যেসব জলাশয় তৈরি করেছিলেন, আজ সেগুলির লিজ মানি (Lease Money) আকাশছোঁয়া করা হয়েছে, যার ফলে প্রায় ৩৫০টি মৎস্যজীবী কো-অপারেটিভ সোসাইটি ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন আমরা প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে মাছ চাষ করি, পাখিদের খাওয়ার জন্য সবসময় জলাশয়গুলিতে কিছু মাছ রেখে দেই, নিজেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়িয়ে পরিযায়ীসহ সবরকমের পাখি মারা বন্ধ করেছি, কিন্তু সরকার মৎস্যজীবীদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, প্রতিদিন আমাদের কষ্ট দেওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয় নীতি তৈরী করছে, আইন ভাঙ্গছে। কনভেনশনে উপস্থিত মত্স্যজীবী বন্ধুদের এবং অন্যান্য সংগঠনগুলিকে একসাথে জোট বেঁধে লড়াই করার অনুরোধ জানান।
প: ব: বিজ্ঞান মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন জঙ্গলবাসীরাই জঙ্গল রক্ষা করছেন, মৎস্যজীবীরা জলাভূমি- পুকুর-খাল-বিল-জলাশয় রক্ষা করছেন। কিন্তু এইসব কিছু বিক্রী করে দেওয়ার জন্য জল আর প্রায় নেই বললেই চলে তাই সার্বিকভাবে জলের সংকট তৈরী হয়েছে, ফলে মৎস্যজীবীরা সংকটে পড়েছেন তাঁদের জীবন-জীবিকার উপর আক্রমণ নেমে এসেছে। আরাবল্লী পাহাড় সংক্রান্ত উদাহরণের উল্লেখ করে তিনি জানান সর্বোচ্চ আদালতসহ আইন বিভাগগুলি কর্পোরেটদের পক্ষে রায় দিচ্ছেন। যা অবস্থা তৈরী হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় কোন পাহাড় থাকবে না, কোথাও জলাশয়-জলাভূমি থাকবে না। কনভেনশনের আয়োজক বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন ও পরিবেশ বান্ধব মঞ্চ বারাকপুর সহ সমস্ত গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলি মিলে আগামী দিনে কলকাতাসহ রাজ্যের সর্বত্র রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিলের দাবী তোলেন।
পরিবেশকর্মী বিশেষ করে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি এবং সংলগ্ন অঞ্চলগুলির মৎস্যজীবীদের অধিকার রক্ষা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলা ধ্রুবা দাশগুপ্ত ভূমি সংস্কার আইন (Land Reform Act, 1991) এবং ২০০৬ সালের মৎস্যজীবী সমবায় সংক্রান্ত নিয়মাবলীর সঠিক প্রয়োগের দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন ফিশ প্রোডাকশন কোনদিন ব্যক্তি মালিকানা ভিত্তিক করার উত্সাহ দেওয়া হয়নি; বর্তমানে সরকার মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকার পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে যেকোন ভাবে শুধু রেভিনিউ/আয় বাড়াতে চায়। জেলে/মৎস্যজীবীরা পরম্পরাগত ভাবে জলের সঙ্গে বাস করেন, তাঁরা কখনোই মাছেদের প্রজননের সময় মাছ ধরতেন না। তিনি আভ্যন্তরীণ মৎস্য আইন নোটিফিকেশনের বিরোধিতা করেন। জলাভূমি-জলাশয়গুলি পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, উন্নয়নের নামে এগুলি বুজিয়ে দেওয়ার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে; এইসবের ব্যবহারিক অধিকার মৎস্যজীবীদের কাছে থাকলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে থাকবে। যেভাবে হোক সমগ্র রাজ্যের জলাভূমি-পুকুর-খাল-বিল-জলাশয়গুলিকে রক্ষা করার উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন একসময় আমরা জলসমৃদ্ধ রাজ্য ছিলাম কিন্তু বর্তমানে জলদরিদ্র রাজ্যে পরিণত। রাজস্থান আগে জলের কষ্টে ভূগত এখন জলসমৃদ্ধ রাজ্য হয়ে উঠেছে। রাজ্যে জল-সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য উপস্থিত সবাইকে লেখালেখি-প্রচার-বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ব্যক্তিগত ভাবে দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানান এবং সাম্প্রতিক গেজেট নোটিফিকেশনটি জনবিরোধী বলে উল্লেখ করেন।
নদীয়া জেলা সি. এফ. সি. এস. এর পক্ষে বিমল সরকার অভিযোগ করেন, নদীয়া জেলায় প্রায় ২০০-এর বেশি জলাভূমির রেকর্ড পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে; রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক গেজেট নোটিফিকেশন (সংখ্যা ৩৪১২, তারিখ ১২/০৭/২০২৫) -এর মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের ফান্ডামেন্টাল রাইট বা মৌলিক অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন “জাল যার জল তার” এই স্লোগান বদলে গেছে “টাকা যার জলা তার” স্লোগানে, রানাঘাটে চূর্ণী নদীর পাড়ের জমিতে বড় বড় পাকা বাড়ী তৈরী হয়েছে। জলাশয়-জলাভূমিগুলিকে চিহ্নিত করে রক্ষা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
দক্ষিণ ২৪ পয়রগনা জেলা সি. এফ. সি. এস. এর পক্ষে গফুর হালদার ভোর রাত থেকে মাছ ধরে বাজারে নিয়ে আসা পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের দু:খ-কষ্টের কথা তুলে ধরেন, কিন্তু এই পরিশ্রমের ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মাছ আমদানী করার পরিমাণ কমে গেছে বলে জানান। নোংরা জলকে প্রাকৃতিক ভাবে শোধনের পর তাতে মাছ চাষ করেন, পাখি মারা বন্ধ করে ও তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করে প্রকৃতি-পরিবেশের সঙ্গে জুড়ে থাকার কথা বলেন। মুনাফার জন্য এইসব আইন প্রয়োগের ফলে মৎস্যজীবীরা শেষ হয়ে যাবেন বলে আশংকা প্রকাশ করেন। সবাইকে এক হওয়ার আবেদন জানিয়ে যৌথ আন্দোলন খুবই জরুরী বলে মত দেন।
দক্ষিণ ২৪ পয়রগনা জেলা সি. এফ. সি. এস. এর অসিত রায় বলেন শুধুমাত্র আইন দিয়ে হবে না সম্মেলন থেকে শিক্ষা নিয়ে মাছের জন্য মৎস্যচাষীদের জন্য একসাথে লড়াই গড়ে তোলা দরকার।
ক্ষেতমজুর সমিতির তুষার ঘোষ মৎস্যজীবী ও ক্ষেতমজুরদের কষ্টের কথা তুলে ধরেন ও পূর্ব কলকাতা জলাভূমি (East Kolkata Wetland) রক্ষায় কোনো আইন মানা হয়নি বলে প্রশাসনের উদাসীনতার তীব্র সমালোচনা করেন।
আইনি লড়াই ও আন্দোলনের রূপরেখা:
পিপলস এলায়েন্স ফর ইকলজিক্যাল এন্ড ডেমোক্রেটিক সলিডারিটি (PAEDS) -র পক্ষে পিনাকী আচার্য একটি নতুন দিক উন্মোচন করে বলেন, এই আন্দোলনকে ‘চিপকো আন্দোলনে’র মতো ছড়িয়ে দিতে হবে। রাজ্যে প্রায় ৩২ লক্ষ মৎস্যজীবী রয়েছেন, তাদের ঐক্যবদ্ধ করে জীবন-জীবিকা রক্ষা এবং এই জীববৈচিত্র্য রক্ষার লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সরাসরি যারা মৎস্যজীবী নন তাদেরকেও বাস্তুতন্ত্র ও প্রকৃতি-পরিবেশ রক্ষার এই আন্দোলনে যুক্ত হতে হবে।
গণ কনভেনশনে মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির রাজ্য সম্পাদক রবীন্দ্র নাথ হালদার স্পষ্ট জানান, বাংলার মৎস্যজীবীরা কাজ হারিয়ে আজ পরিযায়ী শ্রমিকে পরিণত হচ্ছে। তিনি বলেন, “জলাভূমি এবং মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকা রক্ষার লড়াইয়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আমরা আইনি পরামর্শ নিয়ে মাননীয় রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, মৎস্যমন্ত্রীকে ডেপুটেশন জমা দেব। ”
এইদিনের গণ কনভেনশনটি সঞ্চালনা করেন তাপস বিশ্বাস ও স্বাতী চ্যাটার্জ্জী। উপস্থিত সকল প্রতিনিধি একযোগে শপথ নেন যে, জলাভূমি ও মৎস্যজীবীদের অস্তিত্ব রক্ষায় তাঁরা রাজপথে নামতে পিছপা হবেন না।
আগামী কর্মসূচি:
গণ কনভেনশন থেকে আগামী দিনে প্রকৃতি-পরিবেশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জুড়ে থাকা পশু-পাখি-মাছ-জলজ প্রাণী, কীট-পতঙ্গ-মৌমাছি, নদ-নদী-খাল-বিল-জলাশয়-জলাভূমি-পুকুর, গাছপালা-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, ইত্যাদি সহ সব মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যেকোন ভাবে প্রপার্টি অফ কমন্স অর্থাত্ প্রাকৃতিক সম্বলগুলিকে তাদের প্রাকৃতিক অবস্থানে রাখার জন্য এবং রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক গেজেট নোটিফিকেশন (সংখ্যা ৩৪১২, তারিখ ১২/০৭/২০২৫) বাতিলের জন্য এবং জলাভূমিগুলি জবরদখলের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভার শেষে ‘বাস্তুতান্ত্রিক সংহতি আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে সঞ্জয় দাস আগামী ১০ মার্চের মধ্যে জেলা ও রাজ্য স্তরের সমস্ত প্রশাসনিক দপ্তরে ডেপুটেশন দেওয়ার ডাক দেন। এছাড়া সমস্ত পরিবেশবাদী, বিজ্ঞান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে নিয়ে একটি বৃহত্তর মঞ্চ তৈরির প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
মন্তব্য